দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে মান ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। এ থেকে উত্তরণ করতে হলে আগামীতে শুধু আমাদের (বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ) প্রতিশ্রুতি নয়, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিও দরকার। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিভাগ খোলা হয় আত্মীয়কে চাকরি দেয়ার জন্য, অথবা যে সিরিয়ালে ৪০ নম্বরে আছে; তাকেই যদি চাকরি দেয়া হয় তাহলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি কীভাবে হবে? শুধু যদি শিক্ষক নিয়োগকে গুণগতভাবে ধরে রাখা যায়, এ শিক্ষকরাই আগামী দিনের বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত পরিবর্তন করতে পারবেন বলে আমার বিশ্বাস। গবেষণার তহবিল নেই। বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। এসব নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু আমি বলব শুধু একটি জায়গা, শিক্ষক নিয়োগ যদি গুণগত হয়; তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে। আমাদের শিক্ষাদান পদ্ধতি পরিবর্তন করা লাগবে। এর জন্য অনেক পেছনে পড়ে গেছি আমরা। অ্যাসেসমেন্ট নিয়ে আমাদের কাজ করা লাগবে। আমাদের দেশের জন্য গবেষণার মাঠ অনেক বড়। অনেক জায়গায়ই আমরা গবেষণা করিনি। গবেষণা করতে অনেক বড় ল্যাব-বিনিয়োগ লাগবে, আমার কাছে এমন মনে হয় না। বরং দেশের কী প্রয়োজন, এ জায়গায় একটু কাজ করা দরকার। স্যালাইন উদ্ভাবনে খুব বেশি বিনিয়োগ লাগেনি। দেশের রোগের পরিসংখ্যান বের করতেও খুব বেশি বিনিয়োগ দরকার নেই। দরকার একটি বড় মনের, বড় শিক্ষকের এবং বড় গবেষকের।
—অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহিনুল আলম, উপাচার্য (অস্থায়ী), বিএসএমএমইউ