তবে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় এডিস মশার ঘনত্ব ও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় রংপুরেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা অন্যান্য বিভাগের তুলনায় বেশ কম। তবে বর্ষা মৌসুমের এ সময়ে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা কিংবা অন্যান্য আক্রান্ত অঞ্চল থেকে যাতায়াতকারীদের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে এডিস মশার বংশবিস্তারের ঝুঁকি রয়েছে।
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে আট জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৮৭। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল দিনাজপুরে, ২৫৬ জন। এরপর রংপুরে ২৪৪, নীলফামারীতে ২০৭, গাইবান্ধায় ১৬২, ঠাকুরগাঁওয়ে ৯৯, লালমনিরহাটে ৯৬ ও কুড়িগ্রামে ৩৫ জন। ওই বছর কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত বিভাগের আট জেলায় ৩২২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ রংপুর জেলায় মোট ৩৬ জন, গাইবান্ধায় ৩৩, লালমনিরহাটে ২৮, নীলফামারীতে ৭৮, দিনাজপুর ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৫ ও ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩ জন। ওই সময় পর্যন্ত ৩০৭ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন জানান, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিশেষ মশকনিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এডিস মশার বিস্তার রোধ ও লার্ভা ধ্বংসের জন্য এ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে।