সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত

বগুড়ায় নিজ গ্রামে শাহেদের দাফন

জানা যায়, ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে শাহেদ।

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশী শাহেদ আহমেদ আশিকের (৩৫) মরদেহ বগুড়ায় গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেছে। মরদেহ পৌঁছার পর বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার সরকারি চাচাইতারা-মাদলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্তানে তাকে দাফন করা হয়।

গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে তার মরদেহ পৌঁছে। সেসময় স্ত্রী, সন্তান ও স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। ঢাকায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকাল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে শাহেদ। বিমানবন্দরে নেমে টার্মিনাল-৩ এলাকা থেকে স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে শেষবার মুঠোফোনে কথা বলেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরই ওই টার্মিনালে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান শাহেদসহ বেশ কয়েকজন।

শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলামও দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। ঘটনার সময় শাহেদের মা শাহেরা বেগম পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে ছিলেন। তবে ছেলের মৃত্যুর পর চারদিন আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন। শাহেদের দুই ছেলে কাওছার (১১) ও আবদুল্লাহ (৬)। শাহেদ সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কাজ করতেন। বাংলাদেশে এক মাসের ছুটি কাটিয়ে রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন তিনি। ফেরার পথেই রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় তিনি মারা যান।

আরও