ব্রি’র কর্মশালায় কৃষি সচিব

আউশের আবাদ ও উত্পাদনে গুরুত্ব বাড়াতে হবে

আউশের আবাদ ও উত্পাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার। তিনি বলেন, ‘ধান উত্পাদনে যান্ত্রিকীকরণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ধান আমাদের প্রধান খাদ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তা বলতে আমরা ধান বা চালের নিরাপত্তাকেই বুঝি

আউশের আবাদ ও উত্পাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার। তিনি বলেন, ‘ধান উত্পাদনে যান্ত্রিকীকরণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ধান আমাদের প্রধান খাদ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তা বলতে আমরা ধান বা চালের নিরাপত্তাকেই বুঝি। তাই ধান উত্পাদনে ব্রি কৃষিযন্ত্র নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে যান্ত্রিকীকরণ প্রক্রিয়াকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

আজ শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ‘যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধান চাষাবাদের লক্ষ্যে খামার যন্ত্রপাতি গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধিকরণ (এসএফএমআরএ)’ শীর্ষক প্রকল্পের মধ্যবর্তী কর্মশালায় তিনি এ সব কথা বলেন। কর্মশালাটি আয়োজন করে ব্রি’র খামার যন্ত্রপাতি ও ফলনোত্তর প্রযুক্তি বিভাগ।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী ও রবীন্দ্রশ্রী বডুয়া উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসএফএমআরএ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত চারটি কৃষিযন্ত্র যেমন- ব্রি বীজ বপন যন্ত্র, ব্রি হোল ফিড কম্বাইন হারভেস্টার, ব্রি সোলার লাইট ট্র্যাপ ও ব্রি দড়ি পাকানোর যন্ত্র উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এছাড়া ব্রি ম্যানুয়াল রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, পাওয়ার উইডারসহ আরো প্রায় ৮টি যন্ত্রপাতি তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় উদ্ভাবিত ও উন্নয়নকৃত যন্ত্রপাতির কার্যক্রমও বিস্তারিত তুলে ধরেন। এসএফএমআরএ প্রকল্পের আওতায় থাকা সাতটি বিভাগের ১২টি জেলার ১২টি উপজেলায় এ প্রকল্প চলমান রয়েছে। এবং এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। 

আরও