কিন্তু পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপারে রাখা হয়নি কোনো বিকল্প ব্যবস্থা। ফলে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ সাধারণ মানুষকে চলন্ত যানবাহনের ফাঁক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হচ্ছে।
পথচারীদের অভিযোগ, রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত ও জনাকীর্ণ এলাকা মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চলাচল করেন। অথচ ফুটওভার ব্রিজটি বন্ধ করার আগে নিরাপদ পারাপারের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে নারী, শিশু ও বয়স্কসহ সাধারণ পথচারীদের চলন্ত বাস, প্রাইভেট কার, রিকশা ও মোটরসাইকেলের ফাঁক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পার হতে হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
সরজমিনে দেখা যায়, ফুটওভার ব্রিজটির সিঁড়ির প্রবেশমুখ টিন ও লোহার কাঠামো দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ব্রিজের নিচে ডিএনসিসির উন্নয়নকাজ চলায় সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ভাঙা কংক্রিট ও নির্মাণসামগ্রী। অন্যদিকে গোলচত্বরজুড়ে বাস, প্রাইভেট কার, অটোরিকশা ও রিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনের চাপ রয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় নারী, শিশু ও বয়স্কসহ পথচারীদের এসব যানবাহনের ফাঁক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পার হতে দেখা গেছে।
ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পার হওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ব্রিজ বন্ধ থাকায় রাস্তা দিয়েই পার হতে হচ্ছে। এখানে সব সময় গাড়ির চাপ থাকে। একটু অসাবধান হলেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ব্রিজ সংস্কার করা হচ্ছে, সেটা ঠিক আছে; কিন্তু আমাদের নিরাপদে রাস্তা পার হওয়ার একটি ব্যবস্থা রাখা দরকার।’
আরেক পথচারী বলেন, ‘হঠাৎ ব্রিজ বন্ধ করে দেয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অন্তত অস্থায়ী জেব্রা ক্রসিং তৈরি বা ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে পারাপারের ব্যবস্থা করা হলে মানুষকে এভাবে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হতো না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী-১ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) খন্দকার মাহবুব আলম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘ফুটওভার ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তাই প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে এটি পথচারীদের পারাপারের উপযোগী করার কাজ চলছে। কাজ শেষ হতে দুই মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। সংস্কার শেষ না হওয়া পর্যন্ত পথচারীদের সতর্কভাবে চলাচলের অনুরোধ করা হচ্ছে।’