সারা দেশে বৃহস্পতি ও শুক্রবার এলপিজি বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা

এলপি গ্যাস সমিতির দাবি, পরিবেশকদের কমিশন বাড়াতে হবে, কোনো কোম্পানি ইচ্ছেমতো মাসে একাধিকবার দাম বাড়াতে পারবে না। বাড়াতে হলে বিইআরসির মাধ্যমে বাড়াতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কোম্পানির সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার ব্যবস্থা করতে হবে।

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সারা দেশে সব এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি মানা না হলে পরে আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান। তিনি বলেন, সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, টানা দুই দিন সারা দেশে এলপি গ্যাসের দোকান বন্ধ থাকবে।

এলপি গ্যাস সমিতির দাবি, পরিবেশকদের কমিশন বাড়াতে হবে, কোনো কোম্পানি ইচ্ছেমতো মাসে একাধিকবার দাম বাড়াতে পারবে না। বাড়াতে হলে বিইআরসির মাধ্যমে বাড়াতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কোম্পানির সিলিন্ডারে গ্যাস ভরার ব্যবস্থা করতে হবে।

এর আগে ৪ অক্টোবর দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়। যদিও বাজারে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বাড়তি দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

এলপিজি পরিবেশকেরা বলছে, তাদের কমিশন না বাড়ালে নির্ধারিত দামে তারা বিক্রি করতে পারবে না। তাই প্রতি সিলিন্ডারে কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করতে গত ৮ অক্টোবর বিইআরসিতে চিঠি দিয়েছে তারা।

আরও