এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত আলাদা ঘটনায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, মওলানা ভাসানী হল, আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. শহীদুল হক বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেই হোক না কেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষতি এবং আহতদের চিকিৎসাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে এর মধ্যে একটি সভা হয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রথমে রাত সাড়ে ৯টার দিকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল ও মওলানা ভাসানী হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এরপর প্রক্টরিয়াল টিমের উপস্থিতিতে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঝামেলার মীমাংসা হয়। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই রাত প্রায় ১২টার সময় বাকৃবির ফসিলের মোড় এলাকায় একটি চায়ের দোকানকে কেন্দ্র করে আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে একই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসিল মোড় এলাকায় শহীদ শামসুল হক হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী আশরাফুল হক হলের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় চায়ের দোকানে ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘যারা দোষী বলে প্রমাণ হবে, তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন ও অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’