দুই বছর পর তিতাস নদীতে নৌকা বাইচ

প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ধাপ থেকে একটি করে বিজয়ীসহ চারটি নৌকা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে প্রথম স্থান অধিকার করে জেলা সদরের শাপলা ভয়েস ক্লাব। তারা পুরস্কার হিসেবে পায় দুই লাখ টাকা। দ্বিতীয় হয় জেলা সদরের দারমা গ্রামের নৌকা। তারা পায় দেড় লাখ টাকা। তৃতীয় স্থান অধিকার করে নবীনগরের পুইল যুব সংঘ। তাদের দেয়া হয় এক লাখ টাকা। এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া প্রত্যেক দলকে ৩০ হাজার টাকা ও ট্রফি দেয়া হয়।

টানা দুই বছর বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীতে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় জেলার সদর ও নবীনগরসহ বিভিন্ন এলাকার ১০টি নৌকা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই তীরে জড়ো হন হাজারো দর্শনার্থী।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে বিভিন্ন কারণে নৌকা বাইচ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে এবার তিতাস নদীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার শিমরাইলকান্দি গাঁওগেরাম পয়েন্ট থেকে মেড্ডা সরকারি শিশু পরিবার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় শিমরাইলকান্দি গাঁওগেরাম পয়েন্টে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।

প্রতিযোগিতায় প্রতিটি ধাপ থেকে একটি করে বিজয়ীসহ চারটি নৌকা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে প্রথম স্থান অধিকার করে জেলা সদরের শাপলা ভয়েস ক্লাব। তারা পুরস্কার হিসেবে পায় দুই লাখ টাকা। দ্বিতীয় হয় জেলা সদরের দারমা গ্রামের নৌকা। তারা পায় দেড় লাখ টাকা। তৃতীয় স্থান অধিকার করে নবীনগরের পুইল যুব সংঘ। তাদের দেয়া হয় এক লাখ টাকা। এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া প্রত্যেক দলকে ৩০ হাজার টাকা ও ট্রফি দেয়া হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা আক্তার এবং চিকিৎসক মো. আব্দুল মতিন।

আরও