পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন

৬ হাজার শতক জমি ও সন্দেহভাজন সম্পদের তথ্য তুলে ধরল সিআইডি

প্রেজেন্টেশনে সিআইডি প্রধান জানান, জুলাইয়ের রাজনৈতিক অভ্যুত্থান-পরবর্তী অনুসন্ধানের জন্য সিআইডি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সাবেক মন্ত্রী ও সমাজে প্রভাবশালীদের সন্দেহজনক সম্পদের উৎস ও প্রকৃতি নিয়ে নিবিড় অনুসন্ধান চালানো হয়।

সাবেক মন্ত্রী, প্রভাবশালীদের প্রায় ৬ হাজার শতক জমি ও সন্দেহভাজন সম্পদের তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এছাড়াও মাদক কারবারীদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ এ সময় জব্দ করেছে সংস্থাটি। বুধবার (৩০ এপ্রিল) পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে এসব তথ্য তুলে ধরে প্রেজেন্টেশন দিয়েছেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজি (ভারপ্রাপ্ত) গাজী জসীম।

প্রেজেন্টেশনে সিআইডি প্রধান জানান, জুলাইয়ের রাজনৈতিক অভ্যুত্থান-পরবর্তী অনুসন্ধানের জন্য সিআইডি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সাবেক মন্ত্রী ও সমাজে প্রভাবশালীদের সন্দেহজনক সম্পদের উৎস ও প্রকৃতি নিয়ে নিবিড় অনুসন্ধান চালানো হয়। এছাড়াও এস আলম, বেক্সিমকো, বসুন্ধরা, নাবিল, ইউনিক, সিকদার গ্রুপসহ একাধিক বড় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা ও অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধানে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ শতাংশ জমি ও হাজার কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ শনাক্ত করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের বরাত দিয়ে গাজী জসীম জানান, স্বর্ণ চোরাচালান ও মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে কেনা জমি, বাড়ি, হোটেল ও গাড়ি চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ক্রোক করা চলমান। রাজধানীর বাড্ডা, যশোর, লালমনিরহাটসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় বহু মামলা রুজু হয়েছে এবং এসব মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে কক্সবাজারের টেকনাফে একটি মামলায় প্রায় ১০ কোটি টাকার সম্পদ (২৯৫ শতাংশ জমি, বাড়ি ও ৫টি প্রাইভেট কার) জব্দ করা হয়।

আরও