সুদানে শান্তিরক্ষা মিশনে ড্রোন হামলায় নিহত মো. সবুজ মিয়ার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে গ্রামের বাড়িতে ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে বাবার কবরের পাশে তাকে সামরিক মর্যাদায় দাফন করা হয়।
এর আগে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে সবুজের মরদেহ গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নেয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মরদেহ পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি ছোট ভগবানপুর গ্রামে নেয়া হয়। পরবর্তীতে বাবার কবরের পাশেই তাকে শায়িত করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সবুজ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাকে হারিয়ে বৃদ্ধ মা ও স্ত্রী এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। সবুজের পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সবুজের স্ত্রী নুপুর আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর আমরা কি করব, কিভাবে চলব, জানি না। আমার একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য সেনাবাহিনী আর সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই, যাতে এ পরিবার চলতে পারে।
রংপুর সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন আলভি বলেন, নিহত শান্তিরক্ষীর পরিবারকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
২০০২ সালে বাবা হাবিবুর রহমানকে হারান সবুজ মিয়া। এরপর ২০১০ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।