নেত্রকোনার বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু

নিহতদের পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও মদন উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ ভোর ও সকালে এসব ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে মারা গেছেন শামসুল হুদা (৫৫) ও আশরাফুল ইসলাম (২৫)। শামসুল হুদা উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। আশরাফুল ইসলাম সান্দিকোনা গ্রামের ডাউকি বেদেনার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরতে গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল ৬টার দিকে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে আশরাফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তার মা-ও একই রোগে আক্রান্ত। আজ সকালে সান্দিকোনা গ্রামের শ্মশানসংলগ্ন একটি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনিও বজ্রপাতে মারা গেছেন।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে সকাল ৫টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে মারা যান ইটভাটার শ্রমিক রাজিব মিয়া (২৪)। তিনি কাইটাল গ্রামের সোনালী মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, সকালে বাড়ির পাশের জমিতে মাছ ধরার বাইর তুলতে যান রাজিব। কাজ করার সময় হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে আসে, বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান জানান, কেন্দুয়া ও মদনে বজ্রপাতে নিহত তিনজনের পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

আরও