দক্ষ সফটওয়্যার ডেভেলপার গড়তে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে সপ্তাহব্যাপী কর্মশালা শুরু

আয়োজকদের মতে, ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, লাইভ কোডিং এবং বাস্তব প্রকল্পভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্নকারী অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের উদ্যোগে এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি প্রোগ্রামিং ক্লাবের (পিইউপিসি) আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন কম্পিউটার ল্যাবে গতকাল মঙ্গলবার ৬ দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধন হয়েছে।

কর্মশালার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের আধুনিক ওয়েব প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা। এতে অংশগ্রহণকারীরা বাস্তবধর্মী ফুল স্ট্যাক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ডিপ্লয়মেন্টের ওপর হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন এবং সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. শহিদুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি প্রোগ্রামিং ক্লাবের (পিইউপিসি) মডারেটর অর্ক শিকদার। এ ছাড়া বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, ক্লাবের সদস্য এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।

ড. শহিদুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্বে সফটওয়্যার শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং দক্ষ ফুল স্ট্যাক ডেভেলপারের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বাস্তবভিত্তিক দক্ষতাই একজন শিক্ষার্থীকে কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে রাখে। তাই শিক্ষার্থীদের এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

কর্মশালার প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন রাকিবুল ইসলাম, সিনিয়র ডেভেলপার অব ট্রেন্ড ওয়াচার (আমেরিকা) এবং ফাসটেস্ট ক্রিয়েটরের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। সপ্তাহব্যাপী এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির বিভিন্ন ধাপ, ডাটাবেস ইন্টিগ্রেশন, এপিআই ডেভেলপমেন্ট এবং অ্যাপ্লিকেশন ডিপ্লয়মেন্টের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

আয়োজকদের মতে, ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন, লাইভ কোডিং এবং বাস্তব প্রকল্পভিত্তিক অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। কর্মশালা সফলভাবে সম্পন্নকারী অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য দক্ষ সফটওয়্যার ডেভেলপার গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরি করে দেশ-বিদেশে নতুন নতুন কর্মসংস্থান ও চাকরির সুযোগ সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আরও