উইমেন অ্যান্ড এনার্জি কার্নিভালে আলোচকরা

নবায়নযোগ্য জ্বালানির অভাবে নারীদের কাজে সময় অপচয় হয়

দেশের অনেক জায়গায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছেনি, যার ফলে নারীদের কাজে অনেক সময় অপচয় হয়। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি না থাকায় নারীদের কাজে বেশি সময় অপচয় হচ্ছে, যা টেকসই উন্নয়নে বড় বাধা।

দেশের অনেক জায়গায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছেনি, যার ফলে নারীদের কাজে অনেক সময় অপচয় হয়। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি না থাকায় নারীদের কাজে বেশি সময় অপচয় হচ্ছে, যা টেকসই উন্নয়নে বড় বাধা। গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত ‘উইমেন অ্যান্ড এনার্জি কার্নিভাল ২০২৫’-এ এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। টেকসই উন্নয়নের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে আরো জোর দেয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তারা।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের (এমজেএফ) উদ্যোগে এ কার্নিভালের আয়োজন করা হয়। এ সময় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমজেএফের পরিচালক রাইটস অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম বনশ্রী মিত্র নিয়োগী। তিনি বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক জ্বালানিতে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হচ্ছে কিনা তা দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে ন্যায্যতা প্রয়োজন, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছেনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি না থাকায় নারীদের কাজে অনেক সময় নষ্ট হয়। তাই নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হলেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব।’

নারীদের অদৃশ্য শ্রমের মূল্য দিতে হবে বলে ‍উল্লেখ করেন এমজেএফের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘জীবাশ্ম জ্বালানি একসময় শেষ হয়ে যাবে। ভবিষ্যতের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি ছাড়া বিকল্প নেই। আর এই রূপান্তরে নারীকে সামনে আনা জরুরি।’

ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণে নারীর বড় ভূমিকা থাকবে বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, ‘আগে বিদ্যুৎ এক জায়গায় উৎপাদন হতো, এখন তা বদলাচ্ছে। ভবিষ্যতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। সেখানে রক্ষণাবেক্ষণে নারীর বড় ভূমিকা থাকবে।’

আরও