শ্রীলংকার সাবেক প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে গ্রেফতার, সরকারি তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ

২০২৩ সালে কিউবায় অনুষ্ঠিত জি-৭৭ সম্মেলন থেকে ফেরার পথে যুক্তরাজ্যে একবার অবস্থান করেছিলেন রনিল বিক্রমাসিংহে। এ সময় তিনি ও তার স্ত্রী উলভারহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। শ্রীলঙ্কার সিআইডির অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহার করে তিনি লন্ডনে স্ত্রীর স্নাতক সমাবর্তনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন।

শ্রীলংকার সাবেক প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহেকে (৭৬) গ্রেফতার করেছে দেশটির ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)। শুক্রবার কলম্বোয় সিআইডি কার্যালয়ে গিয়ে বিবৃতি দেয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। খবর রয়টার্স।

অভিযোগ রয়েছে, রাষ্ট্রীয় তহবিল ব্যবহার করে তিনি লন্ডনে স্ত্রীর স্নাতক সমাবর্তনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। তবে শ্রীলংকা পুলিশের মুখপাত্র তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। বিক্রমাসিংহের কার্যালয়ও রয়টার্সের অনুরোধে কোনো মন্তব্য জানায়নি।

পেশায় আইনজীবী বিক্রমাসিংহে ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের সময় ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছাড়লে তিনি দায়িত্ব নেন। দ্বীপ দেশটিকে পুনরুদ্ধারের পথে ফিরিয়ে আনার জন্য তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন। এর আগে ছয় দফা প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

ভিন্ন প্রতিবেদনে বিবিসি বলছে, ৭৬ বছর বয়সী বিক্রমাসিংহে তার দুই বছরের প্রেসিডেন্ট মেয়াদে ২৩ বার বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন, যার ব্যয় ছিল ৬০০ মিলিয়ন শ্রীলংকান রুপি (প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার)।

শুক্রবারের গ্রেফতারির ঘটনাটি বিশেষভাবে যুক্ত ২০২৩ সালের এক সফরের সঙ্গে। সে সময় তিনি কিউবায় অনুষ্ঠিত জি-৭৭ সম্মেলন থেকে ফেরার পথে যুক্তরাজ্যে একবার অবস্থান করেছিলেন। এ সময় তিনি ও তার স্ত্রী উলভারহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

শ্রীলংকার সিআইডির অভিযোগ, এটি ছিল ব্যক্তিগত সফর, অথচ এর জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বিক্রমাসিংহে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আরও