মাগুরায় আইনমন্ত্রী

জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় নিশ্চিত করছে সরকার

জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘জনগণের অর্থের সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করে উন্নয়নের সুফল প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’ 

গতকাল মাগুরা জেলা অডিটোরিয়ামে জেলা পরিষদের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল, গ্রামীণ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন এবং উপকারভোগীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত অনেক অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না হয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকত। বর্তমান সরকার সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের প্রতিটি টাকার জবাবদিহি নিশ্চিত করছে এবং সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দিচ্ছে।’ 

তিনি বলেন, ‘সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করছে। অতীতে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে আত্মসাৎ হওয়া অর্থের তদন্ত চলছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।’ 

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। এরই মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও ইমাম কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব যোগ্য পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে নারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সহিংসতা ও মিথ্যা মামলা বন্ধ এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জনগণের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।’ 

মাগুরা জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহম্মের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাগুরা সদর আসনের সংসদ সদস্য মো. মনোয়ার হোসেন খান, জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বির আহমেদসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। 

এ সময় পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে মোট ১৮২ জন উপকারভোগী অংশ নেন।

আরও