বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) জানিয়েছে, পৃথক দুই অভিযানে বিজিবি ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দিলে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
সর্বশেষ গতকাল ভোর ৫টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) জয়পুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১৫২/১-এস-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চর মেঘনা ক্যাম্পের সদস্যরা নদীপথে সাঁতরে দুজন পুরুষ, চারজন নারী ও দুজন ট্রান্সজেন্ডারসহ মোট আটজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেন। টহলরত বিজিবি সদস্যরা ঘটনাটি শনাক্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে সীমান্তে অবস্থান নেন ও তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেন। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের মুখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নদীপথেই ভারতের দিকে ফিরে যান বলে জানানো হয়।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তের ৭৬/৪-এস পিলার এলাকায় একই ধরনের আরেকটি ঘটনা ঘটে। ৬ বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, বিএসএফ এক শিশু, তিন নারী ও এক পুরুষসহ মোট পাঁচজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিজিবির টহল দল তাদের সীমান্ত অতিক্রম করতে বাধা দিলে তারা কাঁটাতারের বেড়াসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেন। পরে বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তোয়াসীন হাবীব হাসান বলেন, ‘সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইনের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে।’
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, ‘সীমান্তে আইন লঙ্ঘনের যেকোনো চেষ্টা প্রতিহত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল জোরদার রাখা হয়েছে।’