মক্কায় বাংলাদেশের দুই নাগরিকের মৃত্যুদন্ড কার্যকরের ঘটনার বিস্তারিত মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ ঘটনায় কেন কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কোনো দুর্বলতা ছিল না এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে- বিষয়ফগুলো সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে জানাতে বলা হয়েছে।
আজ রোববার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে জহরত আদিব চৌধুরীর সভাপতিত্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সকল বিষয় আলোচনা করা হয়। বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, এস কে আজিজুল বারী, সাঈদ আল নোমান, হুমাম কাদের চৌধুরী এবং সানজিদা ইসলাম অংশ নেন। কমিটির বিশেষ আমন্ত্রণে বৈঠকে অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
এ বিষয়ে তথ্য পেলে কমিটিকে জানানোর বিষয়টি বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে উল্লেখ করে জহরত আদিব চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দুই বাংলাদেশীর শিরচ্ছেদের ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য চেয়ে উনারা (পররাষ্ট্র মন্ত্রণায়ল) প্রশ্ন পাঠিয়েছে। তারা উত্তরের জন্য এখন অপেক্ষা করছে। বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার কথা বলেছি। সেই সঙ্গে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সেই ব্যাপারে তাদের পদক্ষেপও আমাদের জানাবেন। কনস্যুলেটের কোন ধরনের গাফিলতি নজরে আসলে উনারা দ্রুত একশন নিবেন বলে আমরা আশা করছি।’
সে সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে জানিয়েছে, ‘শিরচ্ছেদের ঘটনার ১৪ দিন আগে নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদানের অংশ হিসেবে কারা বিভিন্ন জেলে আছে এমন একটি তালিকা পাঠায়। সেই তালিকায়ই ওই দুই ব্যক্তির নামও ছিল। যেখানে অপরাধের নামও যুক্ত থাকে। দুইজনের ক্ষেত্রে ‘অনৈতিক/অবৈধ সম্পর্ক’ অপরাধ উল্লেখ ছিল। যার শাস্তি ৬ মাস থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু এখানে একটা ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের (মৃত্যুদন্ড) মত বিষয় হতে যাচ্ছে উনারাও জানতে পেরেছে পরবর্তীতে।’