কোরবানির ঈদের দ্বিতীয় দিনে কাঁচা চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার মোকাম নাটোরের চকবৈদ্যনাতের ব্যবসায়ীরা। সারা রাত চামড়া সংগ্রহের পর এখন লবণ দিচ্ছেন মৌসুমি শ্রমিকরা। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে মোকামের বাইরে রাস্তায় পড়ে আছে সংগৃহীত চামড়ার একটি অংশ।
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কাঁচা চামড়া আসছে নাটোরের বাজারে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছে, গরুর চামড়া ১ হাজার ২০০ টাকা পিস কিনলেও বিক্রি করতে হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। এছাড়া খাসি, বকরির চামড়া ৭০ টাকায় কিনলেও বিক্রি করতে হচ্ছে ২০-৩০ টাকায়।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার নাটোরে কম পরিমাণে আমদানি হয়েছে কাঁচা চামড়া। সবমিলিয়ে ২৫-৩০ হাজার পিস চামড়া সংগ্রহ হয়েছে বলে জানান নাটোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতি গ্রুপ।
এ বছর নাটোরে ১২ লাখ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে গরুর ৪-৫ লাখ এবং খাসি-বকরিসহ অন্যান্য পশুর ৬-৭ লাখ পিস। সব মিলিয়ে চামড়া কেন্দ্রিক ৪০-৫০ কোটি টাকার ব্যবসা আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।