শুধু মাদক কারবারি বা ক্যারিয়ার নয়, মাদকের গডফাদারদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। প্রয়োজনে তাদের আয়ের উৎস অনুসন্ধান করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য মাদকসংশ্লিষ্টতার সঙ্গে জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেয়া হবে না।’
গতকাল যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সন্ত্রাস, মাদক নির্মূলে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছোট-বড় কেউই আইনের বাইরে থাকবে না।’ তিনি বলেন, ‘মাদক নির্মূল শুধু পুলিশের একার দায়িত্ব নয়। এক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজভিত্তিক সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারলেই মাদকের ভয়াবহতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।’
ডিআইজি জানান, খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপারকে কিশোর গ্যাং দমনে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত অভিযান ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অনলাইন জুয়ার বিস্তার রোধে প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ টিম গঠন করা হবে। এ দল সার্বক্ষণিক অনলাইন প্লাটফর্ম পর্যবেক্ষণ করবে এবং জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যারা অনলাইন জুয়া পরিচালনা করছে, তাদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’