তিনি বলেন, ‘সরকার মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো সুযোগ দেয়া হবে না।’
গতকাল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল ২০২৬’ উত্থাপনের পর বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তির জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এ সরকারের বয়স প্রায় ৪২ দিন। সরকার চাইলে প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে পারত। কিন্তু এ ৪২ দিনে বাংলাদেশের একটি মানুষও ক্রসফায়ারের শিকার হয়নি, একটি মানুষও গুমের শিকার হয়নি। মানবাধিকারের রেকর্ডই বলে দিচ্ছে আমরা কোন পথে হাঁটছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার সবচেয়ে বড় পরিবার হলো জিয়া পরিবার ও বিএনপি পরিবার। আমাদের সামনে যারা বসে আছেন, তাদের অনেকেই গত ১৭ বছর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন। আমরা চাই না বাংলাদেশে আর কোনো মা-বোনকে জায়নামাজে বসে সন্তানের প্রতীক্ষায় চোখের জল ফেলতে হোক।’
মানবাধিকার কমিশন বিলের বিষয়ে মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি তড়িঘড়ি করে করা হয়েছিল, যাতে অনেক আইনি অসংগতি রয়েছে। বিশেষ করে ১৬ নম্বর ধারায় ক্ষতিপূরণ বা জরিমানার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট গাইডলাইন নেই। তাই স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ ও শক্তিশালী আইন করার লক্ষ্যেই ২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।