কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলে আটক

স্থানীয় বাসিন্দা মো. শামীম আহসান জানান, সকালে ওই বাড়ি থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে ঘরের মেঝেতে পেয়ারা বেগম এবং খাটের ওপর শিশুটির রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান। এসময় স্থানীয়রা ইমনকে ধাওয়া দিয়ে ধরে ঘরের ভেতর আটকে রাখেন এবং পুলিশে খবর দেন। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি

কুমিল্লার দেবিদ্বারে মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ইমন (২৫) নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে। এসময় বাধা দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার ভাবি রাবেয়া বেগম। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে প্রথমে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬৩) এবং তার আট মাস বয়সী নাতনি। শিশুটির নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. শামীম আহসান জানান, সকালে ওই বাড়ি থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে ঘরের মেঝেতে পেয়ারা বেগম এবং খাটের ওপর শিশুটির রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান। এসময় স্থানীয়রা ইমনকে ধাওয়া দিয়ে ধরে ঘরের ভেতর আটকে রাখেন এবং পুলিশে খবর দেন। তবে হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার পর পরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ইমনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইমন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

তিনি আরো বলেন, জোড়া হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে আহত রাবেয়া বেগমের শারীরিক অবস্থা ভালো নয় বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুজিত কুমার সাহা। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, আজ সকালে তাকে জরুরি বিভাগে আনা হলে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পর্যবেক্ষণে রেখেছি। ২৪ ঘণ্টা না যাওয়া পর্যন্ত তার অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

আরও