চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলায় অসহনীয় গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকালে জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, আজ বিকাল ৩টায় তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ২৬ শতাংশ। একই দিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ।
এর আগে, শুক্রবার বিকাল ৩টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ। ওই দিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর্দ্রতা ছিল ৩৯ শতাংশ। এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ছিল ৪৫ শতাংশ। একই দিন বিকাল ৩টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, তখন আর্দ্রতা ছিল ৩৪ শতাংশ। বুধবার দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ছিল ৩৮ শতাংশ। তিনি জানান, এই তাপপ্রবাহ আরো কয়েকদিন থাকতে পারে।
বেলা বাড়ার সঙ্গে রোদের তাপ বাড়ছে। ভ্যাপসা গরমে ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাইরে বের হচ্ছেন না। এর সঙ্গে বিদ্যুতের লোডশেডিং যোগ হওয়ায় দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। দফায় দফায় বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের ঘরে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।
শহরের কোর্ট এলাকার এক স্টেশনারি ব্যবসায়ী জানান, সকালে কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও পরে গরম বেড়ে যায়। এতে দোকান খোলার সময় পিছিয়ে যাচ্ছে এবং ক্রেতাও কম আসছে। ফলে আয় কমে গেছে।
হাটকালুগঞ্জ এলাকার এক ইজিবাইক চালক জানান, আগে সকাল থেকেই ভাড়া পাওয়া যেত। এখন গরমের কারণে রাস্তায় মানুষের চলাচল কমে গেছে। এতে আয় কমে গেছে। ফলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।