আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন টিমে দায়িত্ব পালনের জন্য আরো পাঁচজন প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর কার্যালয় থেকে উপসলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইন (জিপি-পিপি) স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর সেকশন ৭(১) অনুসারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত পাঁচজনকে প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
নিয়োগ পাওয়া পাঁচজন হলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এসএম মঈনুল করিম, মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, শাইখ মাহদী, তারেক আব্দুল্লাহ ও তানভীর হাসান জোহা (ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ)। এর মধ্যে এসএম মঈনুল করিম ও মো. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদা। বাকি তিনজন পাবেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদমর্যাদার সুযোগ-সুবিধা।
এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ওইদিন প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে আইনজীবী মো. মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম, বিএম সুলতান মাহমুদ ও আবদুল্লাহ আল নোমানকে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ তাদের নিয়োগের কথা জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালে গঠিত হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অনেকের বিচার ও শাস্তি হয়েছে এ ট্রাইব্যুনালে। সম্প্রতি জুলাই ও আগস্ট অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারও এ ট্রাইব্যুনালে করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও নেতার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে অভিযোগ জমা পড়েছে।