লক্ষ্মীপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জনে দাঁড়িয়েছে। অন্তত ৮জন আহতসহ ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন কলেজ এলাকায় নোয়াখালী থেকে লক্ষ্মীপুরগামী ওই যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খালে পড়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, নওগাঁ জেলার বাসিন্দা হুমায়ুন রশিদ। তিনি এরিস্টো ফার্মা ঔষধ কোম্পানিতে চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় চাকরি করতেন। অপর নিহতরা হলেন নোয়াখালীর পূর্ব অশ্বদিয়া গ্রামের আদুস সত্তারের ছেলে আবদুল মাজেদ, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের জয়নার, মোরশেদ ও রিপন। তবে রিপনের পরিচয় পাওয়া যায় নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ২২ জন যাত্রী নিয়ে আনন্দ পরিবহন নামে একটি বাস নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে লক্ষ্মীপুর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বাসটি চন্দ্রগঞ্জ কপিল উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ এলাকায় পৌছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খালে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে স্রোতের টানে খালের মাঝখানে গিয়ে ডুবে যায় বাসটি।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে গাড়িটি উদ্ধার করে। এ সময় ৫জনকে অচেতন অবস্থায় ও ১৪ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অচেতন ৫ জনের মধ্যে দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হয়। অপর তিনজনকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম জানান, তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও যৌথবাহিনীর সদস্যরা বাসটি পাড়ে উদ্ধার করে। এতে ৫ জন নিহত হয়েছে। খালে আর কোন মরদেহ রয়েছে কিনা তা উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে।