তার কথার জবাবে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘তিনি কোথায় দুর্নীতি করেছেন তার প্রমাণ দিতে হবে।’
গতকাল জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে শামা ওবায়েদ এ অভিযোগ করেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমরা যখন নতুন বাংলাদেশ ও নতুন প্রজন্মের কথা বলি, তখন শুধু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হওয়ার রাজনীতি আশা করি না। দেশের জন্য কাজ করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যদি ৭১ সালে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া থাকত, তাহলে দেশ স্বাধীন হতো কিনা আমরা জানি না। মুক্তিযুদ্ধ সবকিছুর ঊর্ধ্বে। আমি আমার সামনে বসা সংসদ সদস্য নাহিদ ও হাসনাতদের সেন্টিমেন্ট রিলেট করি; আমরাও চাই আমাদের সন্তানরা এমন এক নতুন বাংলাদেশে বসবাস করুক, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, খুনের বিচার হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে। আমরা যদি কাদা ছোড়াছুড়ি না করে ঐক্যবদ্ধ থাকি, তবে এ পার্লামেন্ট থেকেই গুণগত উন্নয়নের সূচনা হবে।’
শামা ওবায়েদের বক্তব্যের পর ফ্লোর নিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। আমি সেই সরকারের উপদেষ্টা ছিলাম, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলও (বর্তমান আইনমন্ত্রী) ছিলেন। আমি নির্বাচনের অনেক আগেই পদত্যাগ করেছি। যেহেতু জাতীয় সংসদে এ অভিযোগ করা হয়েছে, তাই ওনাদের প্রমাণ দিতে হবে যে নাহিদ ইসলাম কোথায় দুর্নীতি করেছেন।’
এর পরই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে কারো নাম বলেননি।’