নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি পাইপলাইন বিদ্যমান থাকায় সংকটের সময় খুব অল্প সময়ের নোটিসে এবং দ্রুততম সময়ে হাই-স্পিড ডিজেল সরবরাহ ও বাণিজ্য করতে আমরা সক্ষম হয়েছিলাম। এটি কেবল একটি উদাহরণ। আমাদের জ্বালানি সরবরাহ চেইনগুলো একীভূত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আমরা অত্যন্ত আগ্রহী।
গত বছর ভারতীয় সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে পেরেছে বাংলাদেশ। নেপাল ও ভুটান—উভয় দেশই প্রাকৃতিক পাহাড়ি ভূখণ্ডে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ফলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনেও তারা এগিয়ে রয়েছে এবং তাদের উদ্বৃত্ত জ্বালানি রয়েছে। তাই আমি মনে করি, এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত, যেখানে আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতার দিকে নজর দিতে পারি এবং ভারতের মধ্য দিয়ে এ দুটি দেশ থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি নিয়ে আসার চেষ্টা করতে পারি।
এছাড়া গ্রিড সংযোগের অবকাঠামো গড়ে তোলা, দেশগুলোর মধ্যে সঞ্চালন লাইন তৈরি এবং নতুন পাইপলাইন নির্মাণ—সেটি ডিজেল বা গ্যাস পাইপলাইন, যা-ই হোক না কেন এমন কিছু ক্ষেত্র, যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।