আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটি তার সর্বোচ্চ অবস্থায় নেই। সম্ভবত সেটি থেকে অনেক দূরে আছে। আমাদের এখানে প্রতি চারজনের একজন বেকার বা যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছে না। সিঙ্গাপুরে একটি অ্যাপ্রোচ হলো তারা শিক্ষাব্যবস্থাটি তাদের অর্থনৈতিক প্যানেলের সঙ্গে মিল রেখে করে। এটি শুধু কাগজে-কলমে নয়, বরং তারা খুব কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটির পরিবর্তনও করে।
উচ্চ শিক্ষার সঙ্গে ভোকেশনাল শিক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ হলো যে শিল্প ও সেবা খাত তৈরি হবে, সেখানে সব ধরনের দক্ষতা লাগবে। তাই কোয়ালিটি ও কোয়ান্টিটি—দুটোয়ই গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে কারিগরি এবং মানবসম্পদের দক্ষতায়ও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আরেকটি বিষয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) কীভাবে আমরা তৈরি করব, সেটির চেয়ে কীভাবে দৈনন্দিন জীবনে এটিকে ব্যবহার করব সেটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইবার নিরাপত্তা ও টেকসই।
বর্তমানে এআইয়ের পাশাপাশি ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সও আমাদের প্রয়োজন। এটিকে প্রাধান্য দেই বিধায় যখন কোনো কর্মীকে আমরা নিয়োগ দেই তখন জ্ঞানের পাশাপাশি আমরা তার আচরণকেও প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আরেকটি বিষয় হলো করপোরেট এবং একাডেমিয়ার কোলাবরেশন খুব জরুরি, যা আমরা অনেক দেরিতে শুরু করেছি। যদিও এখানে আমাদের অনেক সম্ভাবনা আছে। আমি আশাবাদী মানুষ। তাই আমি মনে করি বাংলাদেশের সুযোগ অনেক, সেটিকে সঠিক রিসোর্সের মাধ্যমে চ্যানেলাইজ করতে হবে।
—নাসের এজাজ বিজয়, সিইও, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক