সাংবাদিকদের ইসি সচিব

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ

ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে না জানিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ‘ইভিএম আমরা ব্যবহার করব না। এগুলো ডিসপোজাল করতে ফাইনাল স্টক টেকিং শুরু করেছি। কী পদ্ধতিতে ডিসপোজ করব, সে বিষয়ে সুপারিশ পাওয়ার পর বলতে পারব।’

প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। গতকাল ইসি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে এক হাজার মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়নকে আগে রাখা হচ্ছে। এর কিছু বেশি ইউনিয়ন নিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ধাপে সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।’

ভবিষ্যতে আর কোনো নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে না জানিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ‘ইভিএম আমরা ব্যবহার করব না। এগুলো ডিসপোজাল করতে ফাইনাল স্টক টেকিং শুরু করেছি। কী পদ্ধতিতে ডিসপোজ করব, সে বিষয়ে সুপারিশ পাওয়ার পর বলতে পারব।’

এদিকে প্রাইমারি থেকেই এনআইডি তথ্য সংগ্রহের কথা ভাবছে ইসি, সেজন্য ছয় বছর বয়স থেকেই নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন ইসি সচিব। তিনি বলেন, ‘ছয় বছর বয়স থেকে এনআইডিতে তথ্য নিবন্ধনের কথা ভাবা হচ্ছে। আলোচনা করছি প্রাথমিক শিক্ষায় ঢোকার সময় যে তথ্য দেয়া হয় সেই তথ্য নিয়ে আমরা ডেটাবেজ করব।’

বর্তমানে দেশে ১৭ বছর বয়স পূর্ণ হলে জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার সুযোগ দেয় নির্বাচন কমিশন এবং ১৮ বছর পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে বিভিন্ন নাগরিক সেবা ও পরিচয় নিশ্চিতের স্বার্থে এর চেয়ে কম বয়সীদেরও এনআইডির আওতায় আনার দাবি ওঠে। সেই দাবির আলোকেই অপ্রাপ্তবয়স্কদের নিবন্ধনের বিষয়টি নিয়ে এবার সক্রিয়ভাবে করা নিয়ে এগোচ্ছে কমিশন।

ইসির সর্বশেষ হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ৬৬৫ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩২ লাখ ৬৫ হাজার ৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৬৭ জন।

আরও