রোগী পরিবহনের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পূর্বঘোষণা ছাড়াই কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে শুধু হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি নয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সারা দেশে রোগী পরিবহনের ভোগান্তি কমাতে সরকার অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আগামী অর্থবছরের মধ্যে এ জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পূর্বঘোষণা ছাড়াই পরিদর্শন শেষে আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রথমে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৯ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এসব হাসপাতালকে ৩১ ও ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়াতে শুধু হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি নয়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নারী ও শিশুস্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ১৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোয় ১০টি ডায়ালাইসিস শয্যা, প্রসূতি নারীদের জন্য ২০ শয্যার একটি ওয়ার্ড এবং শিশুদের জন্য ২০টি শয্যা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া নারী ও পুরুষদের জন্য ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টারও স্থাপন করা হবে।

মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ আগের তুলনায় ভালো মনে হয়েছে। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি রয়েছে। সেগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আরও