গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। কমিটির সভাপতি মুশফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে কমিটির প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মো. জালাল উদ্দিন এমপি, মঈনুল ইসলাম খান এমপি, মো. শাহাদাত হোসেন এমপি, মো. সাইফুল আলম এমপি, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি এবং মো. আবুল হাসনাত এমপি অংশ নেন।
বৈঠকে বলা হয়, সরকারি সেবা ও কার্যক্রমে সরাসরি যোগাযোগ কমিয়ে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে দুর্নীতি কমবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ব্যয় ও হয়রানি কমবে, ব্যবসার পরিবেশ সহজ হবে এবং সরকারের রাজস্ব আহরণও বাড়বে।
বৈঠকে হিসাবরক্ষণ ও আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থাকে আরো স্বচ্ছ, আধুনিক ও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এক্ষেত্রে জবাবদিহি বাড়ানো গেলে সরকারি কার্যক্রমের দক্ষতা ও কার্যকারিতা আরো বাড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া সরকারের ব্যয় নির্বাহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা, কর-জিডিপি অনুপাতের ব্যবধান কমাতে গৃহীত পদক্ষেপ এবং এনবিআরের সাংগঠনিক কাঠামো নিরূপণ ও করণীয় বিষয়ে এনবিআরের পক্ষ থেকে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত বিষয়গুলোর ওপর কমিটির সদস্যরা আলোচনা করেন এবং বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
বৈঠকে এনবিআরের করনীতির প্রথম সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।