২০২৩ সালের মার্কিন টিআইপি প্রতিবেদন

‘মানব পাচার বন্ধে পুরোপুরি সক্ষম হয়নি বাংলাদেশ’

মানব পাচার বন্ধে বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে পুরোপুরি সক্ষম হয়ে উঠতে পারেনি।

মানব পাচার বন্ধে বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে পুরোপুরি সক্ষম হয়ে উঠতে পারেনি। যদিও বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়। গত বছরের তুলনায় সামগ্রিক উদ্যোগ চেষ্টা বাড়ানো হয় বলে দেখিয়েছে সরকার। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে বাংলাদেশের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে বলে জানানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৩ সালের ট্রাফিকিং ইন পারসনস (টিআইপি) প্রতিবেদনে।

গতকাল প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, গত বছরের মতো এবারো বাংলাদেশের অবস্থান টিয়ার- বা দ্বিতীয় শ্রেণীতেই রয়েছে।

কভিড-১৯ অতিমারীর প্রভাবে বাংলাদেশের মানব পাচার প্রতিরোধ সক্ষমতার ওপর প্রভাব পড়েছে। যদিও গতবারের তুলনায় মানব পাচার রোধে সরকারের সার্বিক প্রচেষ্টা তুলনামূলকভাবে বেড়েছে।

এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশে মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শাস্তি দেয়ার ক্ষেত্রে সরকারের তৎপরতা বেড়েছে। সাম্প্রতিক বছরে রোহিঙ্গা আক্রান্তদের মামলায় জড়িতদের বিষয়েও তদন্ত বেড়েছে। পাশাপাশি মানব পাচারে জড়িত বিভিন্ন এজেন্সির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

টিআইপি প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) শ্রম কনভেনশনের প্রটোকল অনুসমর্থন করেছে। মানব পাচারের ওপর প্রথমবারের মতো জাতীয় গবেষণা প্রকাশ করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে গতকাল ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার বন্ধে সক্ষমতায় পৌঁছতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকার এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে।

আরও