গণসাক্ষরতা অভিযান ও বণিক বার্তার গোলটেবিল

গৃহকর্মীর সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে

গৃহ শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে তাদের শ্রম আইনের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। দেশে গৃহকর্মীদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতিমালা ২০১৫ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;

গৃহ শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে তাদের শ্রম আইনের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। দেশে গৃহকর্মীদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতিমালা ২০১৫ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ; গৃহকর্মীদের মজুরি, ছুটি, বোনাস ও অন্যান্য অধিকার বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রণয়ন ছাড়া তাদের জীবনমানের উন্নয়ন সম্ভব নয়।

অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের সহযোগিতায় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং গণসাক্ষরতা অভিযান ও বণিক বার্তার যৌথ আয়োজনে গতকাল ‘গৃহকর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও জীবনমান উন্নয়ন: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব বিষয় তুলে ধরেন বক্তারা। বণিক বার্তার সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন বণিক বার্তার সহকারী সম্পাদক ও বিশেষ প্রতিনিধি মো. বদরুল আলম।

গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনপ্রধান এবং ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ। বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন গণসাক্ষরতা অভিযানের উপপরিচালক তপন কুমার দাস, গৃহ শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্কের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী আবুল হোসাইন, গৃহকর্মী জাতীয় ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা, গৃহকর্মী পিয়ারা খাতুন, কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওরের (কাপ) নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রেবেকা সান-ইয়াত, নারীপক্ষের নারীর অর্থনৈতিক অধিকার কর্মসূচির পরিচালক রওশন আরা, নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্রের (বিএনএসকে) নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অ্যাডভোকেট সিফাত ই নূর খানম, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণের পরিচালক ড. হাসনাত এম আলমগীর, শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য এবং সলিডারিটি সেন্টারের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ অ্যাডভোকেট একেএম নাসিম, আশার আলো সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহমান। বৈঠকে মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের পরামর্শক ও এনএসডিসির সাবেক সিইও এবিএম খোরশেদ আলম।

বৈঠকে শুভেচ্ছা বক্তব্যে গণসাক্ষরতা অভিযানের উপপরিচালক তপন কুমার দাস বলেন, ‘আট-দশ বছর ধরে আমরা গৃহ শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করতে তাদের আইনের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে আলোচনা করছি। এখন এটাকে কার্যকর করার সময় এসেছে। কীভাবে তা হতে পারে এবং কত দ্রুত আমরা গৃহ শ্রমিক ও তাদের অধিকারের বিষয়টি আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারি তা নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা।’

বৈঠকের উদ্দেশ্য হিসেবে মূল উপস্থাপনায় গৃহকর্মীকে শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান ও শ্রম আইনে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। এতে আরো বলা হয়, গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতিমালা ২০১৫ বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ ত্বরান্বিত করতে হবে। এছাড়া গৃহকর্মীদের বেতন কাঠামো, কর্মঘণ্টা, ছুটি, বোনাস ও অন্যান্য অধিকার বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রণয়নের জন্য নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ প্রয়োজন বলে মনে করেন বক্তারা।

মূল উপস্থাপনায় এবিএম খোরশেদ আলম বলেন, ‘সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নারী গৃহকর্মীর মাতৃত্বকালীন ছুটি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ শ্রমিক কল্যাণ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। গৃহকর্মীর জন্য ন্যূনতম মজুরি, কর্মঘণ্টা, নিয়োগপত্র, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসনের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে গৃহকর্মীর জন্য লগবই চালু করতে হবে, যেখানে তাদের কাজের সময় ও অন্যান্য তথ্য লিপিবদ্ধ থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাজউক অনুমোদিত বিল্ডিং ডিজাইনে গৃহকর্মীর সুবিধার্থে দিবাযত্ন কেন্দ্র বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। গৃহকর্মীদের নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও আর্থসামাজিকভাবে সহনীয় আবাসন নিশ্চিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন স্বল্পমূল্যের হোস্টেল গড়ে তুলতে হবে। বিশেষভাবে গৃহকর্মীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা সচল হেল্পলাইন চালু করা দরকার। গৃহকর্মীর সন্তানদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে গৃহকর্মীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতের মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে।’

গৃহকর্মীদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে এবিএম খোরশেদ আলম বলেন, ‘বয়স ৫০ বছর পূর্ণ হলে তাদের ক্ষুদ্র স্বাস্থ্য বীমা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। গৃহকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে আদমশুমারিতে অন্তর্ভুক্তি এবং সুনির্দিষ্ট জরিপ কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। গৃহকর্মী ও তাদের সন্তানদের সার্বিক সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি কার্যকর সমন্বয় কাঠামো গঠন করা দরকার।’

শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনপ্রধান এবং ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী ও শ্রম বিষয়ক দুটি সংস্কার কমিশনই গৃহ শ্রমিকদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সুপারিশ করেছে। তার মানে গৃহ শ্রমিকদের সুরক্ষায় তাদের আইনের আওতায় আনার আকাঙ্ক্ষা সচেতন মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে। আমরা গৃহ শ্রমিকদের থানায় নিবন্ধনের আইনটির বিপক্ষে, বরং জাতীয় নীতিমালার আওতায় তাদের মনিটরিং করা সম্ভব।’

গৃহ শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্কের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়কারী আবুল হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘ ২৫ বছরে একটি নীতিমালা ছাড়া আর কিছু আমরা করতে পারিনি। এবার অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে গৃহকর্মী শ্রমিকদের শ্রম আইনের অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ এসেছে। সেটি নিশ্চিত করতে বর্তমান সচিবকে আহ্বান জানাই।’

গৃহকর্মীদের রেজিস্ট্রেশন একটি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের অধীনে নিয়ে আসার কথা উল্লেখ করেন কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুওরের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রেবেকা সান-ইয়াত। তিনি বলেন, ‘গৃহকর্মীর জন্য একটি কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করতে হবে, যাতে তাদের নিবন্ধনের কাজটি দ্রুত সম্পাদন করা সম্ভব হয়।’

দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরে অর্থনীতিতে নারীর অবদানের কথা উল্লেখ করে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্রের (বিএনএসকে) নির্বাহী পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিতে বড় আকারে নারীর অবদান রাখার চিত্রটি তাদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি। মূলত তৈরি পোশাক খাত এবং গৃহকর্মী হিসেবে নারীরা বিদেশে কাজ করেন। দেশের অভ্যন্তরে অনেক নারী এ কাজ করছেন। রেমিট্যান্স এবং আমাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে তাদের অবদানের জায়গাটি খুব সহজে অনুধাবন করা যায়।’

শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য এবং সলিডারিটি সেন্টারের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ একেএম নাসিম বলেন, ‘গৃহকর্মীদের নিয়ে আমাদের প্রস্তাবের কোনো কোনো বিষয় আজকের বাস্তবতায় উচ্চাভিলাষী মনে হলেও গৃহ শ্রমিকের সার্বিক উন্নয়নে এগুলোকে ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে।’

বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) অ্যাডভোকেট সিফাত ই নূর খানম বলেন, ‘দেশের শ্রম আইনের ধারা ৪-এর ৩ উপধারার ‘ণ’ অবশ্যই বাতিল করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা আমাদের প্রধান দাবি। এর সঙ্গে গৃহকর্মীকে অবশ্যই নিয়োগপত্র দেয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। ১৪ বছরের কম বয়সী গৃহকর্মীর জন্য শ্রম আইন প্রযোজ্য হয় না। সুতরাং এই আইন তাদের জন্য প্রযোজ্য করার বিধান প্রয়োজন।’

নারীপক্ষের নারীর অর্থনৈতিক অধিকার কর্মসূচির পরিচালক রওশন আরা বলেন, ‘আগে হয়তো কোনো আইন ছিল না। এখন অন্তত থানায় গিয়ে একটা মামলা করার মতো আইন আছে। কিন্তু শ্রম আইনের অন্তর্ভুক্ত না করার আগ পর্যন্ত গৃহকর্মীরা আইনি সুরক্ষা ও অধিকার পাবে না।’

গৃহকর্মীদের সামাজিক মর্যাদা না থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন পিয়ারা খাতুন। এ গৃহকর্মী তার অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, ‘আমরা তো বাসাবাড়িতে কাজ করি। আমাদের দুটি সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। আমরা তেমন একটা সম্মান পাই না। কথাটা বলতেও কেমন লাগে! আবার আমরা অসুস্থ হলে বেতন কেটে রাখা হয়। আমরা কাজে সম্মান চাই। এখানে যেসব বিষয় বলা হচ্ছে সেগুলো বাস্তবায়ন হোক।’

গৃহকর্মী ও গৃহকর্মী জাতীয় ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সরকারে যারা থাকেন তারা যদি আইন তৈরি করতে পারেন, তাহলে তারা আইন পরিবর্তনও করতে পারবেন। তাই আমরা চাই, ২০০৬ সালে প্রণীত আইনের ধারা ‘ণ’ বাতিল করে আমাদের শ্রম আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হোক।’

আশার আলো সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রহমান বলেন, ‘গৃহকর্মকে স্বীকৃতি এবং শ্রম আইনের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাই।’

সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণের পরিচালক ড. হাসনাত এম আলমগীর বলেন, ‘গৃহকর্মীরা অনেক ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকেন। যেমন রান্নাঘরে কাজ করতে গিয়ে পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে পারেন। ওয়াশিংয়ের সময় বিভিন্ন কেমিক্যালের ব্যবহারে শ্বসনতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। এছাড়া অনেকে মানসিক চাপসহ নানাবিধ শারীরিক অসুস্থতার ভেতর দিয়ে যান। যদিও তাদের এ সমস্যাগুলো হয় না বলেই মনে করা হয়। আমরা এখনো গৃহকর্মীকে আহত ও নিহত হওয়া থেকে বাঁচানোর সংগ্রামেই ব্যস্ত।’ গৃহকর্মীদের নিয়ে দেশে কোনো ধরনের গবেষণা হয়নি বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন ড. হাসনাত।

বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘যেসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে, তা উচ্চাভিলাষী নয়। প্রতিটি মানুষকে সুরক্ষা দেয়া আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব। অবহেলিত এ মানুষগুলোকে নির্যাতনের জাঁতাকলে রেখে আমরা যতই অধিকার ও উন্নয়নের কথা বলি না কেন, কল্যাণমুখী কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব নয়। আমরা এখনো একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে পারিনি। গৃহকর্মীদের মধ্যে ৫০ শতাংশের অধিক শিশু শ্রমিক। রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৪৩টি ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকা করা হয়েছে। গৃহকর্মী শিশুরা কিন্তু অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে থাকে। গৃহকর্মীদের নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনসহ দেশে বিদ্যমান অনেক আইন রয়েছে। তার পরও তো এসব অপরাধ কমছে না। আইন বাস্তবায়নে অবশ্যই সরকারের দায়িত্ব রয়েছে, কিন্তু জনগণকেও সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। সুতরাং আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, তা বাস্তবায়নে সবাইকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।’

আরও