‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যোগদানে কোনো ঝুঁকি দেখছে না ঢাকা

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশ কোনো ঝুঁকির মুখে পড়বে না এবং এর ফলে অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততাও সীমিত হবে না। এটি একটি অনন্য চুক্তি, যা নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে।’

তিনি গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রস্তাবিত চুক্তিটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে। আমরা বর্তমানে এ বিষয়ে আলোচনা করছি এবং সব দ্বিপক্ষীয় অংশীদারের সঙ্গে এসব আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’

‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট’ বা ‘মক্কা চুক্তি’ ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হয়। এ পর্যন্ত সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক এ চুক্তির অংশীদার হয়েছে।

বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবিত নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যোগ দিলে সম্ভাব্য কী ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে ঢাকা সমন্বিত ও নমনীয় পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতি অনুসরণ করবে। বাংলাদেশের মতো একটি দেশকে বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার গতিশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত সমন্বিত ও নমনীয় পদ্ধতিতে পররাষ্ট্রনীতি ও নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়গুলো মোকাবেলা করতে হবে। এ দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখব এবং বাংলাদেশের সম্ভাব্য এ প্রতিরক্ষা জোটে যোগদান কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না।’

আরও