বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন বলে জাতীয় রাষ্ট্রচিন্তা পরিষদের বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশনসহ বেশকিছু ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করতে হবে।
গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন: কার্যকর ও টেকসই সংস্কার’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তারা। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর ড. আবদুল লতিফ মাসুম সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। জাতীয় রাষ্ট্রচিন্তা পরিষদের কোষাধ্যক্ষ জিয়া হাসানের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. তারেক ফজল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক স ম আলী রেজা, অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম ও সাবেক সচিব শেখ মোতাহার হোসেনসহ প্রমুখ।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম।
অধ্যাপক দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন বলেন, ‘স্বৈরাচারী আওয়ামী আমলে আমি নিজেও ভোট দিতে গিয়ে দেখেছি আমার ভোট হয়ে গেছে। অর্থাৎ কোনো মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেনি। জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের পর আমরা আশাবাদী হতে শুরু করেছি। এখন হয়তো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। আমরা আশা করছি, একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। এ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হবে।’