মাদারীপুরে ৫ ইটভাটায় অভিযান, জ্বালানি কাঠ জব্দ

পরিদর্শনকালে বেশ কয়েকটি ইটভাটায় পরিবেশবিধি লঙ্ঘন, লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকা এবং কাঠ পোড়ানোর মতো অনিয়ম ধরা পড়ে। এসব অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে ৫টি ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেন আদালত।

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নে পরিবেশ আদালতের অভিযানে ৫টি ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে মজুদকৃত জ্বালানি কাঠ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিবেশ আদালত, মাদারীপুরের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এলিয়াম হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পাঁচখোলা ইউনিয়নের ৭টি ইটভাটা পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে বেশ কয়েকটি ইটভাটায় পরিবেশবিধি লঙ্ঘন, লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকা এবং কাঠ পোড়ানোর মতো অনিয়ম ধরা পড়ে। এসব অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে ৫টি ইটভাটার মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেন আদালত।

মামলার আওতায় থাকা ইটভাটাগুলো হলো—জেএসবি ইটভাটা, এমআরকে ইটভাটা, আমেনা কন্সট্রাকশন (আশফাক ব্রিকস), আনোয়ার খান ব্রিকস এবং একেবি ইটভাটা।

জানা গেছে, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত) এর ১৫ ধারার অধীন ৮ নম্বর সারণি এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুযায়ী ১৪ ও ১৬ ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে এসব মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে হবে এবং আইন অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। এছাড়াও অবৈধভাবে কাঠ পোড়ানোর দায়ে ভাটাগুলোতে মজুদ থাকা জ্বালানি কাঠ জব্দ করার আদেশ দেয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আল-মামুন, নাজির মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, বেঞ্চ সহকারী ওয়াহিদুজ্জামানসহ র‌্যাব, আনসার ও পুলিশের সদস্যরা। পরিবেশ অধিদপ্তর মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম জানান, 'সকাল থেকে ইটভাটাগুলোতে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। এ ধরণের অভিযান নিয়মিত চলবে।'

আরও