চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু

জানা গেছে, আব্দুল মোমিন জীবিকার জন্য আগে ট্রাকচালক হিসেবে কাজ করতেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় পেশা পরিবর্তন করে তিনি স্থানীয় একটি আমবাগানে পাহারাদারের কাজ করছিলেন। ওই আমবাগানটি রেললাইনের পাশেই অবস্থিত। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, প্রায় প্রতিদিনই রাতে পাহারার সময় তিনি রেললাইনের ধারে বসে থাকতেন।

চুয়াডাঙ্গা শহরের রেললাইনে ট্রেনের ধাক্কায় আব্দুল মোমিন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২০ মে) সকালে চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলগেটের অদূরে রেললাইনের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।

মৃত আব্দুল মোমিন চুয়াডাঙ্গা শহরের বাগানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, আব্দুল মোমিন জীবিকার জন্য আগে ট্রাকচালক হিসেবে কাজ করতেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় পেশা পরিবর্তন করে তিনি স্থানীয় একটি আমবাগানে পাহারাদারের কাজ করছিলেন। ওই আমবাগানটি রেললাইনের পাশেই অবস্থিত। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, প্রায় প্রতিদিনই রাতে পাহারার সময় তিনি রেললাইনের ধারে বসে থাকতেন।

রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার (১৯ মে) রাতে আব্দুল মোমিন প্রতিদিনের মতো আমবাগানে পাহারায় ছিলেন। অতিরিক্ত গরমে রাতের কোনো এক সময় তিনি রেললাইনের পাশে ঘুমিয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকা থেকে বেনাপোলগামী এক্সপ্রেস ট্রেনটি আসার সময় অসাবধানতাবশত ধাক্কা লাগে। এ সময় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) জগদীশ চন্দ্র বসু বলেন, তিনি প্রায়ই রেললাইনের পাশে বসতেন। ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমিয়ে পড়ার কারণে ট্রেনের শব্দ বুঝতে পারেননি। ট্রেনের ধাক্কায় তার কপালের বাম পাশে গুরুতর আঘাত লাগে। এর ফলে ঘটনাস্থলেই আব্দুল মোমিনের মৃত্যু হয়।

প্রসঙ্গত, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও