সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও তিনি জানান। জাতীয় সংসদে গতকাল প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য দেন সরকারপ্রধান।
কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামের সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ-সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ সংসদকে আমি এতটুকু জানাতে চাই যে সরকারের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পদ খালি আছে। তবে দেশের মানুষকে আরো সহজে সুবিধাজনকভাবে সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য কতগুলো নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ, সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা এ পোস্টগুলোয় (শূন্যপদ) নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করব।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে গতকাল বেলা ৩টায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রথম ৩০ মিনিট ছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব। নির্ধারিত ছিল তারকাচিহ্নিত পাঁচটি প্রশ্ন। এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারকাচিহ্নিত তিনটি এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের এ-সংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।
পাবনা-৫ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের অনুপস্থিতিতে তার তারকাচিহ্নিত অন্য এক প্রশ্ন উত্থাপন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব। জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার মধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাগুলো শূন্যপদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
মাদারীপুর-২ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, সরকার সম-উন্নয়নে বিশ্বাসী। স্পিকারকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আপনার নেতৃত্বে আমরা কীভাবে এ সংসদ সেশনটা চলবে সে বিষয়ে আমাদের কমিটির মিটিংয়ে বসেছিলাম। সেখানে বিরোধীদলীয় নেতাও ছিলেন। তিনি একটি বিষয় উল্লেখ করেছিলেন যে ঈদের আগে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু সহযোগিতা দেয়া হয়েছিল, যেগুলো বিরোধীদলীয় নেতারা হয়তো পাননি। আমি মিটিং থেকে বেরিয়ে এসে এলজিআরডিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উভয়কেই সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশনা দিয়েছিলাম যে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য কেউ যদি না পেয়ে থাকেন, যাতে দ্রুত সে ব্যবস্থা নেয়া হয়। এ নির্দেশনা দিয়ে আমি এটাই বোঝাতে চেয়েছি যে বর্তমান সরকার দেশের সম-উন্নয়নে বিশ্বাস করে।’