গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এ দাবি করেন।
স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান। সেই মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, আমাদের পরিবার কয়েক ফোঁটা রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ আমাদের সবার।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে কেউ না কেউ এ দেশের শাসনভার পরিচালনা করবেন, এটিই স্বাভাবিক। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন রাজতন্ত্র থাকে না, সেখানে বংশপরম্পরায় শাসনের অবস্থাও থাকে না। সেখানে জনগণের ভোটে গঠিত সরকার দেশ পরিচালনা করে। দুঃখের বিষয়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও জনগণের ভোটের অধিকার খর্ব করা হয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হত্যা করা হয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর অনেক সরকারই গঠিত হয়েছে ও পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের বিপুল প্রত্যাশার জায়গায় দাঁড়িয়ে আজ আমরা সবাই বলে থাকি, স্বাধীনতার পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।’
আওয়ামী লীগ সরকার নিয়ে তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ ২০০৯ সালে যারা সরকার গঠন করেছিলেন ২০০৮ সালের একটা বোঝাপড়ার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারা দেশে কী করেছেন তার জ্বলন্ত সাক্ষী আজকের এ সংসদ। আমি সেদিনও বলেছিলাম, আমার ধারণা, ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে নির্যাতনের শিকার হননি এমন বোধহয় কোনো সদস্য এখানে নেই। কেউ হয়েছেন বারবার, কেউ হয়েছেন হয়তো একবার, যারা সৌভাগ্যবান। অনেকে দেশেই থাকতে পারেননি।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘এ ফ্যাসিবাদ যাতে আর ফিরে না আসে এজন্যই জুলাইতে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল যে একটা ন্যায্যতার ভিত্তিতে, ন্যায়বিচারের ওপরে দেশ কায়েম হবে। যেখানে সবাই সবার সমান অধিকার পাবে নাগরিক হিসেবে।’