বাড়তি চাহিদার বিপরীতে তেল না মেলায় দীর্ঘ ৭ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে বগুড়ার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন। সেখানকার কর্মীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে চাহিদা বৃদ্ধি ও গ্রাহকের প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনার কারণে এ সংকট দেখা দিয়েছে। তবে তেলের তেলবাহী লরিগুলো পাম্পে পৌঁছাতে শুরু করলেই এ সংকট দূর হবে।
জানা গেছে, ঈদের আগে ও পরে বাড়তি তেলের চাহিদার কারণে তেলের পাম্পগুলোয় মজুত ফুরিয়ে এসেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের হক অ্যান্ড কোং পেট্রোল পাম্পে যমুনা ওয়েলের ট্যাংকার লরি থেকে তেল নামাতে দেখা যায়। পাম্পের কর্মীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে প্রায় ৪ ঘণ্টা তেল ছিল না। তাই পাম্পের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সন্ধ্যার কিছু আগে তেল আসায় আবার বিক্রি শুরু হয়েছে। তেলবাহী লরিগুলো পাম্পে পৌঁছাতে শুরু করলেই সংকট দূর হবে।
পাশের মিতালি পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার মো. শাকিল জানান, সোমবার রাতে যে তেল পাওয়া গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১টা পর্যন্ত তা বিক্রি হয়েছে। এরপর সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তেলের সরবরাহ আসেনি। চাহিদার কথা জানানো হয়েছে। তেল এলে বিক্রি শুরু হবে।
রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন বলেন, মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। পাম্পে জ্বালানি পৌঁছলেই সাময়িক এ সংকট কেটে যাবে। এরই মধ্যে বেশ কিছু পাম্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।