ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় ৬টি সংসদীয় আসনে ৩৮ প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ১২ প্রার্থী ছাড়া বাকি সবাই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে সেই প্রার্থীর জামানত রক্ষা হবে। কিন্তু ২৬ প্রার্থীর কেউই তাদের মোট ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি।
১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত শেষে ভোট গণনা শেষে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল অনুযায়ী, খুলনার ছয়টি আসনের প্রতিটিতেই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের মধ্যে।
খুলনা-১ আসনে বিএনপির আমির এজাজ খান বিজয়ী হন। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি, সিপিবি ও অন্যান্য দলের মোট ১০ প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পেয়ে জামানত হারান।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল বিজয়ী হন। এ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জামানত হারান।
খুলনা-৩ আসনে বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল জয়ী হন। এখানে ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি, বাসদ, এনডিএমসহ ৮ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
খুলনা-৪ আসনে বিএনপির এস কে আজিজুল বারী হেলাল বিজয়ী হন। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
খুলনা-৫ আসনে বিএনপির আলী আজগর লবী বিজয়ী হন। জাতীয় পার্টি ও সিপিবির দুই প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
খুলনা-৬ আসনে জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী হন। এখানে সিপিবি, ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় পার্টির তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, সব আসনেই ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে। বড় ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।