প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আসছে বাকি চার লাখ গ্রাহক

চট্টগ্রামে ১০ লাখ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের সুবিধা দেয়া কথা ছিল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি)। এখন পর্যন্ত ছয় লাখ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের সুবিধা নিশ্চিত করতে পেরেছে পিডিবি। আরো চার লাখ গ্রাহককে এ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে নতুন প্রকল্প নিচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। তবে কবে নাগাদ এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ সম্পন্ন হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি সংস্থাটি।

চট্টগ্রামে ১০ লাখ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের সুবিধা দেয়া কথা ছিল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) এখন পর্যন্ত ছয় লাখ গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের সুবিধা নিশ্চিত করতে পেরেছে পিডিবি। আরো চার লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে নতুন প্রকল্প নিচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। তবে কবে নাগাদ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ সম্পন্ন হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি সংস্থাটি।

তথ্যমতে, ২০০৯ সালে প্রি-পেইড মিটারের প্রকল্পটি একনেকে পাস হয়। প্রথমবারের মতো ২০১৪ সালে বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নেয় পিডিবি। প্রি-পেমেন্ট মিটারিং প্রজেক্ট ফর ডিস্ট্রিবিউশন সাউদার্ন জোন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০১৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রামে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরু হয়। আগ্রাবাদ, স্টেডিয়াম, পাহাড়তলী খুলশী চার জোনে প্রি-পেইড মিটার বসানোর কাজ শুরু হয়। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বা পিডিবির সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সে সময় প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩৭ কোটি টাকা।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে ২০১৭ সালের মে মাসে লাখ ৩৯ হাজার গ্রাহককে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হয়। চট্টগ্রামের ১২টি বিক্রয় বিতরণ কার্যালয়ের মধ্যে ১০টির অধীনে ২০২০ সালের এখন পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার প্রায় ছয় লাখ গ্রাহক প্রি-পেইড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। তবে ভবনগুলোর জটিলতা এবং অন্যান্য কারণে চার লাখ গ্রাহক এখনো সুবিধার আওতায় আসেনি বলে জানান কর্মকর্তারা।

নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার শাশ্বত রায় বণিক বার্তাকে বলেন, আমার বাড়ি একটু ভিতরে হওয়ায় এখনো আমরা এই প্রি-পেইড মিটারের আওতায় পড়িনি। বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে মিটারের জন্য আবেদন করেছিলাম। তারা দ্রুত মিটার লাগানোর ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে। তবে এখনো সেটা বাস্তবায়ন হয়নি।

কর্মকর্তারা জানান, আমরা এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের বিদ্যুতের প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করে বুঝিয়ে দিয়েছি। কিন্তু সীমানা জটিলতা এবং ভবনগুলোর স্থাপনা জটিলতার কারণে অনেক স্থানে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তবে নতুন একটি প্রকল্প দ্রুত নেয়া হচ্ছে। ফলে আগামী বছরের মধ্যে যারা এখনো প্রি-পেইড মিটার পাননি তারা এই মিটার পাবেন।

প্রসঙ্গে পিডিবি চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী শামসুল আলম বলেন, সাশ্রয়ী বিদ্যুতের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন খুবই জরুরি। প্রকল্পটির মাধ্যমে গত চার বছরে ছয় লাখ গ্রাহকে আমরা প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনতে সমর্থ হয়েছি। আমরা নতুন করে অবশিষ্ট চার লাখ গ্রাহকের জন্য প্রকল্প নিচ্ছি। আশা করি, প্রকল্প গ্রহণের অল্প কিছুদিনের মধ্যে বাকি গ্রাহকদের প্রকল্পের আওতায় আনতে পারব। এতে দেশে বিদ্যুৎ আরো বেশি সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করেন তিনি।

আরও