বিশ্ব হার্ট দিবসে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালের বিশেষ আয়োজন

ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন বলেন, ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের দক্ষ চিকিৎসক দল, আধুনিক অবকাঠামো ও প্রযুক্তি দেশে উন্নতমানের হৃদরোগের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের সক্ষমতা তৈরি করেছে। দেশে এ ধরনের চিকিৎসাসেবা পাওয়া গেলে রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যয় কমবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি

বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে হৃদরোগ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করেছে মাদানী এভিনিউয়ের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল। এর অংশ হিসেবে গত ২৯ সেপ্টেম্বর দিবসটিতে ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের কার্ডিওলজি ও কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের সেবা, অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) উপপরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিভিডি) কার্ডিওলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডা. হাসিনা বানু।

ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম টিটন বলেন, ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের দক্ষ চিকিৎসক দল, আধুনিক অবকাঠামো ও প্রযুক্তি দেশে উন্নতমানের হৃদরোগের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের সক্ষমতা তৈরি করেছে। দেশে এ ধরনের চিকিৎসাসেবা পাওয়া গেলে রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া এবং এর সঙ্গে যুক্ত ব্যয় কমবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ডা. হাসিনা বানু বলেন, বাংলাদেশে হৃদরোগের ঝুঁকিতে বংশগত কারণও ভূমিকা রাখে। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মকে হৃদরোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে চিকিৎসকদের উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজামুদ্দিন হাসান রশিদ বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় ইউনাইটেড গ্রুপের অঙ্গীকার তুলে ধরেন। ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহসেন বলেন, চার দশক আগেও দেশে বিশ্বমানের আধুনিক কার্ডিয়াক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামের সুযোগ সীমিত ছিল। বর্তমানে দেশের কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা অনেক এগিয়েছে। এ অগ্রযাত্রাকে আরো এগিয়ে নিতে এবং দেশের মানুষকে দেশেই উন্নতমানের চিকিৎসা দিতে কাজ করছে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল।

এদিকে গতকাল ‘সেলিব্রেটিং লাইফ, কেয়ার অ্যান্ড রিকভারি’ শীর্ষক আয়োজনে হাসপাতালটিতে হৃদরোগের চিকিৎসা নেয়া রোগীরা তাদের চিকিৎসা ও সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এসময় রোগীদের ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের চিকিৎসা প্রযুক্তি, চিকিৎসক দল ও সেবার পরিধি সম্পর্কে জানানো হয়। এতে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় তপু বর্মণ উপস্থিত ছিলেন।

হৃদরোগ সচেতনতার মাসব্যাপী কর্মসূচির শুরু হয় ‘দ্য ১০০ কিলোমিটার ওয়াকিং চ্যালেঞ্জ’ দিয়ে। পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের জন্য কার্ডিয়াক হেলথ চেকআপের সুযোগ রাখা হয়। পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর গুরুত্ব নিয়েও সচেতন করা হয়।

আরও