চুয়াডাঙ্গা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ৫৭ পদের ২৯টিই খালি

তীব্র জনবল সংকটে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ চারটি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

জেলার সামগ্রিক প্রাণিসম্পদ বিভাগে মোট ৫৭টি মঞ্জুরীকৃত পদের মধ্যে ২৯টিই বর্তমানে খালি। মাত্র ২৮ কর্মী নিয়ে জোড়াতালি দিয়ে চলছে পুরো জেলার সেবা কার্যক্রম।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার প্রতিটি উপজেলাতেই জনবল সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের মোট ১৩টি মঞ্জুরীকৃত পদের মধ্যে চারটিই শূন্য। এর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ফডার গার্ড ও নিরাপত্তা প্রহরীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ।

সদর উপজেলায় ১১ পদের মধ্যে পাঁচটি খালি। মাঠ পর্যায়ের এসএএলও চারজনের জায়গায় কর্মরত মাত্র একজন। এছাড়া এসএএলও ও অফিস সহায়কের একটি করে পদ শূন্য রয়েছে।

আলমডাঙ্গা উপজেলায় ১১ পদের মধ্যে সাতটিই খালি। এখানে ভেটেরিনারি সার্জনের পদটিই শূন্য। পাশাপাশি এসএএলওচারটি পদের মধ্যে তিনটিই খালি, এসএএলও, এসএএলও এবং অফিস সহায়কের একটি করে পদ শূন্য রয়েছে।

দামুড়হুদায় ১১ পদের মধ্যে ছয়টি শূন্য। এর মধ্যে এসএএলও (সম্প্রসারণ) তিনজন, এসএএলও (প্রাণিস্বাস্থ্য) একজন, এসএএলও (কৃত্রিম প্রজনন) একজন ও অফিস সহায়কের একটি পদ খালি পড়ে আছে।

জীবননগর উপজেলায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পদটি খালি। এছাড়া এসএএলও (সম্প্রসারণ) তিনজন, এসএএলও (প্রাণিস্বাস্থ্য) একজন, ড্রেসার একজন ও অফিস সহায়কের একটি পদ শূন্য থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে কার্যক্রম। ১১ পদের মধ্যে সাতটিই শূন্য।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘গরু, ছাগল ও ভেড়ার বেশকিছু খামার রয়েছে। এসব খামারে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে জনবল সংকটের কারণে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’

আরও