টাঙ্গাইলে তিতাসের গ্যাস সঞ্চালন পাইপ ফেটে ১৪ হাজার সংযোগ বিচ্ছিন্ন

টাঙ্গাইলে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন লাইনের মূল সংযোগ পাইপ ফেটে দুই উপজেলার প্রায় ১৪ হাজার গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

টাঙ্গাইলে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন লাইনের মূল সংযোগ পাইপ ফেটে দুই উপজেলার প্রায় ১৪ হাজার গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। গতকাল সকালে সদর উপজেলার শিবপুর এলাকায় তিতাসের পাইপ ফেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাধারণ গ্রাহকদের পাশাপাশি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে৷স্থানীয় ১৫টি গ্যাস স্টেশন এবং মির্জাপুর শিল্প অঞ্চলের ৩৫টি প্রতিষ্ঠানেও।

এছাড়া গ্যাস পাইপের ওপর পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার প্রায় দুই লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন গ্রাহকরা। তবে গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল তিতাস গ্যাস অফিসের সহকারী প্রকৌশলী রমজান আলী মুন্না বলেন, ‘গ্যাস লাইনের ২০ ইঞ্চি পাইপ ফেটে টাঙ্গাইল সদর ও মির্জাপুর উপজেলায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল। গ্যাস লাইন মেরামতের কাজ করা হচ্ছে। আপাতত ১০ ইঞ্চি পাইপে বিকল্প হিসেবে টাঙ্গাইল সদর ও সিএনজি স্টেশনগুলো সচল রাখা হয়েছে। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে একদিন সময় লাগবে।’

গাজীপুরের চন্দ্রা তিতাস গ্যাস অফিসের সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আলিম বলেন, ‘বিদ্যুতের পিলার সরানোর পর জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। গ্যাসের পাইস লাইনের লোকেশন বের করতে হবে। এরপর বোঝা যাবে লাইন চালু হতে কতক্ষণ লাগবে। বিকল্প পদ্ধতিতে টাঙ্গাইল শহরে গ্যাস সরকার চালু করার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ এছাড়া করটিয়া থেকে পুংলি ব্রিজ পর্যন্ত শাটডাউন দেয়া হয়েছে।’

এদিকে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়ে টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘গ্যাস লাইনের ওপর বিদ্যুৎ খুঁটি ছিল। দুর্ঘটনার পর সে খুঁটি সরানো হয়েছে। তিন উপজেলার প্রায় দুই লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হয়েছে।’

আরও