রান্নার কর্মশালার মাধ্যমে এসজি৬১ উদযাপন সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা হাইনানিজ চিকেন রাইস, চিলি ক্র্যাব, কুয়েহ পাই টি, সিঙ্গাপুর স্পাইসি ভার্মিসেলি, কারি পাফ, ওন্দেহ ওন্দেহ, নাসি লেমাক ও চিকেন সাতে তৈরির হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেন। আগের কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দেয়া একই সিঙ্গাপুরিয়ান শেফ এবারও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।

সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস (এসজি৬১) উপলক্ষে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী সিঙ্গাপুরিয়ান রান্নার কর্মশালা আয়োজন করেছে সিঙ্গাপুর হাইকমিশন। ১০ থেকে ১২ আগস্ট জাতীয় হোটেল ও পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এনএইচটিটিআই) ২০ জন অংশগ্রহণকারী এ কর্মশালায় অংশ নেন।

সিঙ্গাপুরের সমৃদ্ধ ও বহুসাংস্কৃতিক খাদ্য ঐতিহ্যের সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের রান্নার দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ করে দেয়াই ছিল এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরের ৬০তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রান্নার কর্মশালার সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবারও কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা হাইনানিজ চিকেন রাইস, চিলি ক্র্যাব, কুয়েহ পাই টি, সিঙ্গাপুর স্পাইসি ভার্মিসেলি, কারি পাফ, ওন্দেহ ওন্দেহ, নাসি লেমাক ও চিকেন সাতে তৈরির হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেন। আগের কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দেয়া একই সিঙ্গাপুরিয়ান শেফ এবারও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।

কর্মশালার শেষ দিনে রান্না প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। তিন দিনের প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা বিচারকদের সামনে বিভিন্ন খাবার তৈরি করেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী যথাক্রমে ১৫ হাজার, ১২ হাজার ও ৮ হাজার টাকা পুরস্কার পান। শেষ দুটি দলকে ৫ হাজার টাকা করে সান্ত্বনা পুরস্কার দেয়া হয়।

হাইকমিশন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের রান্নার দক্ষতার স্বীকৃতি দেয়ার পাশাপাশি পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা করাও পুরস্কারের অন্যতম উদ্দেশ্য। পুরস্কারের অর্থ রান্নার সরঞ্জাম ও উপকরণ কেনা, পরবর্তী প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া কিংবা আতিথেয়তা ও খাদ্য-পানীয় শিল্পে ক্যারিয়ার গড়ার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন বিজয়ীরা।

আগামী সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরিয়ান রান্না প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় পর্ব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এনএইচটিটিআইয়ের আরেকটি দল অংশ নেয়ার সুযোগ পাবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ঢাকায় সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ, সৃজনশীলতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। কর্মসূচি সফল করতে এনএইচটিটিআইয়ের রন্ধন প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রধান জাহেদা বেগমের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।

সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যমে দুদেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদারে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা জানিয়েছে সিঙ্গাপুর হাইকমিশন।

আরও