দেশের মানুষ ধর্মান্ধ নয়, উদারপন্থী রাজনীতিতে বিশ্বাসী: মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা একটি রাজনৈতিক দল এখন ধর্মপ্রাণ মানুষ, বিশেষ করে নারীদের প্রভাবিত করে ভোটব্যাংক তৈরির চেষ্টা করছে। তাই বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থী রাজনীতিতে বিশ্বাসী উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ দেশের মানুষ ধর্মভীরু হলেও ধর্মান্ধ নয়। হিন্দু-মুসলিমসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করতে চায়। আজ শুক্রবার বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি অফিসে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাস্টিট আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। এখন ধর্মভিত্তিক একটি শক্তি নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। দলটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল নয়। তাদের লক্ষ্য শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা একটি রাজনৈতিক দল এখন ধর্মপ্রাণ মানুষ, বিশেষ করে নারীদের প্রভাবিত করে ভোটব্যাংক তৈরির চেষ্টা করছে। তাই বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

জুলাই সনদ ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি জুলাই সনদের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সনদে কারা সম্মতি দিয়েছে আর কারা দেয়নি, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে যে দল সরকার গঠন করবে, তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

১১ দলীয় জোটের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল আরো উল্লেখ করেন, তাদের পক্ষে জনগণের কোনো সমর্থন নেই। বিভিন্ন স্থানে তাদের কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতিও খুবই কম বলেও দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করবে না। তবে প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সমন্বয়ের মাধ্যমে একজন করে প্রার্থী নির্ধারণ করতে হবে। একাধিক প্রার্থী হলে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় জেলা সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, ও সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী উপস্থিত ছিলেন৷

আরও