মাদারীপুরে বিশ্ব বসতি দিবসে নাগরিকদের প্রতি আইন মেনে বসতি নির্মাণের আহ্বান

আলোচনা সভায় মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে প্রথম বিশ্বব্যাপী বসতি দিবস পালন শুরু করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও প্রতিবছরই এ দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়ে থাকে। মানুষের বসবাসের জন্য নিরাপদ বসতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়

‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে র‍্যালি ও আলোচনা সভা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাদারীপুরে বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়েছে। সভায় বক্তারা দেশে বিদ্যমান বসতি বা ভবন নির্মাণের আইন মেনে নাগরিকদের প্রতি নিরাপদ বসতি স্থাপন বা নির্মাণের আহ্বান জানান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মর্জিনা আক্তার। আলোচনা সভার আগে দিবসটি উপলক্ষে একটি র‌্যালিও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় বিশ্ব বসতি দিবসের তাৎপর্য, সর্বজনীন আবাসন নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই নগরায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। নগর ও আবাসন ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং জনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আলোচনা সভায় মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে প্রথম বিশ্বব্যাপী বসতি দিবস পালন শুরু করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও প্রতিবছরই এ দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়ে থাকে। মানুষের বসবাসের জন্য নিরাপদ বসতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

তাই দেশের প্রতিটি নাগরিকের উচিত দেশে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বসতি স্থাপন বা নির্মাণ করা। তাহলেই নিরাপদ বসতিতে ঝুঁকিমুক্ত ভাবে মানুষ বসবাস করতে পারবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ ফজলে এলাহীসহ জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।

আলোচনা সভায় টেকসই ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

আরও