শেরপুরে গারো পাহাড়ে হাতির অভয়াশ্রম হচ্ছে —পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, ‘হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে শেরপুরে গারো পাহাড়ে হাতির করিডোর চিহ্নিতকরণসহ অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে।’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন,  ‘হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে শেরপুরে গারো পাহাড়ে হাতির করিডোর চিহ্নিতকরণসহ অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে।’  গতকাল দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থিত ডিসি উদ্যানে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান আতিক এমপি। পরিবেশমন্ত্রী বেশি বেশি গাছ লাগানো, পুকুর ভরাট না করা, প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান শেষে স্কুলশিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে মন্ত্রী মেলার স্টল ঘুরে দেখেন।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির রুমান, সুফল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. গোবিন্দ রায়, ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন মুহম্মদ নিশাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুকতাদিরুল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইদুর রহমান প্রমুখ।

জানা যায়, শেরপুর জেলার তিনটি উপজেলায় ভারত সীমান্তের সঙ্গে ৩৫ কিলোমিটার বনাঞ্চল রয়েছে। এ বনাঞ্চলে প্রতিনিয়ত হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব চলছে। এই দ্বন্দ্বে মারা পড়ছে হাতি। অন্যদিকে হাতি ধ্বংস করছে মানুষের খেতের ফসল ও বাড়িঘর। বুনো হাতির আক্রমণে প্রাণহানিও ঘটছে। বনাঞ্চলের মানুষের দাবি, দ্রুত হাতির অভয়ারণ্য তৈরি ও করিডোর নির্ধারণ করলে হয়তো কমতে পারে এ দ্বন্দ্ব।

আরও