বিএনপি ওপেনে গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু গোপনে তারা ‘না’ এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই ওপেন-গোপনের খেলা বন্ধ করে জনতার কাতারে নেমে এসে গণভোটে মুখে যা বলেছেন সেই হ্যাঁ-কে জিতিয়ে আগামী সংসদে ক্ষমতা কাঠামোর ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে। এ মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুরের কাউনিয়া মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রংপুর-৪ আসনের ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আখতার হোসেনের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা দেখেছি তারেক জিয়া, নাহিদ ইসলাম, ডাক্তার শফিকুর রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। পরিতাপের বিষয় হলো, ভারতের রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশ শাখা জাতীয় পার্টি ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি এই জাতীয় পার্টির আনুষ্ঠানিক দাফন সম্পন্ন করতে হবে। তারা অলরেডি মৃত। ১২ তারিখ ভোটের মধ্য দিয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক জানাজা হবে।
তিনি আরো বলেন, যারা ভোটের আগের দিন মুড়ি নিয়ে আসবে, শাড়ি নিয়ে আসবে, অ্যাডভান্স অর্থ নিয়ে আসবে, তাদেরকে ১২ তারিখ প্রত্যাখ্যান করতে হবে। ১২ তারিখ যদি আপনারা কারো কাছে থেকে কোনো অর্থ সংগ্রহ করেন, যদি ভোটের জন্য তাদের সিএনজির জন্য অপেক্ষা করেন— এই একদিনের ভুলই আপনাদের আগামী ৫ বছর ভোগাবে। আমরা অর্থ নিয়ে আসতে পারব না, আমরা লুঙ্গি শাড়ি নিয়ে আসতে পারব না। আমরা বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ নিয়ে আসতে পারব না। আপনি আমার জন্য ১০ দিন খাটেন, আগামী পাঁচ বছর আপনার জন্য গোলাম হয়ে থাকব।
রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী ও এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল হালিম, যুবশক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম, রংপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির এটিএম আজম খানসহ এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।