প্রথম পাতা

প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের মধ্যেই থাকবে: বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১:১৩:০০ মিনিট, জানুয়ারি ১২, ২০১৭

চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর পরের দুই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আরো কম হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস; উইক ইনভেস্টমেন্ট ইন আনসারটেইন টাইমস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির এ পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। যদিও চলতি অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি দাঁড়াবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশে। ২০১৬-১৭ অর্থবছর দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় তৃতীয় অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে শীর্ষ অবস্থানে থাকবে ভুটান। চলতি অর্থবছর দেশটির প্রবৃদ্ধি হবে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ভারত। চলতি অর্থবছর দেশটির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ শতাংশ। এছাড়া পাকিস্তানের ৫ দশমিক ২ ও নেপালের ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। সবমিলিয়ে চলতি অর্থবছর দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ১ শতাংশ। এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ভারতের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি।

বিশ্বব্যাংক বলছে, দেশের অর্থনীতির জন্য অভ্যন্তরীণ ঝুঁকির অন্যতম হলো রাজস্ব খাতে ভারসাম্যহীনতা এবং আর্থিক ও করপোরেট ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা কমে যাওয়া। সরকারি খাতে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কারণে ঋণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ইস্যু ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতারও ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে খেলাপি ঋণ।

রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমে যাওয়ায় ব্যক্তিপর্যায়ে ভোগ কমে যাবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলছে, পাশাপাশি বিনিয়োগও কমবে। আর এর প্রভাবে আগামী অর্থবছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিও কমে যাবে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে পরের অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে। ২০১৮-১৯ অর্থবছর এ প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছর এটি আবার ৭ শতাংশে পৌঁছাবে।